লকডাউন: শুক্রবার ভোর থেকে লঞ্চ বন্ধ, ফেরিতেও উঠবে না যাত্রী কিংবা যাত্রীবাহী গাড়ি

প্রকাশিত হয়েছে :
সংশোধিত :

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ঈদের পর আবার কঠোর লডলউন শুরুর দিন শুক্রবার ভোর থেকেই সবধরনের নৌযান এবং ফেরিতে যাত্রী ও যাত্রীবাহীসহ সব ধরনের পরিবহন বন্ধ থাকবে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।
ফেরিতে শুধু যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পণ্যবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপার হবে।
বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, "২৩ জুলাই সকাল থেকে ফেরিতে যাত্রীবাহী সকল ধরনের গাড়ি ও যাত্রী পরিবহন বন্ধ থাকবে। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধুমাত্র জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপার করা হবে।"
বিআইডব্লিউটিসি এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি আগেই জারি করেছে।
তবে এর আগে রোজার ঈদে লকডাউনের সময় ফেরি বন্ধ রাখার ঘোষণা থাকলেও তা কার্যকর করা যায়নি। শিমুলিয়ায় মাঝ নদীতে নোঙর করে রাখা ফেরিতেই সবাই গিয়ে গাদাগাদি করে উঠলে পরে তা চালু করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
এবারও ঈদের আগে পারাপারে ফেরিগুলোতে যাত্রী ছিল ঠাসা।
বন্ধ থাকবে যাত্রীবাহী নৌযান
বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৩ জুলাই সকাল ছয়টা থেকে ৫ অগাস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত যাত্রীবাহী নৌযান চলাচলও বন্ধ থাকবে।
এতে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১৩ জুলাইয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের প্রেক্ষিতে ২৩ জুলাই সকাল ছয়টা থেকে ৫ অগাস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নৌপথে সকল ধরণের যাত্রীবাহী নৌযান (লঞ্চ, স্পিডবোট, ট্রলার ও অন্যান্য) চলাচল বন্ধ থাকবে।
অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীবাহী নৌযানের মালিক, মাস্টার, ড্রাইভার, স্টাফ, যাত্রীসাধারণ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে উক্ত নির্দেশনা মেনে চলতে বিজ্ঞপ্তিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়েছে।

For all latest news, follow The Financial Express Google News channel.