
প্রকাশিত হয়েছে :
সংশোধিত :

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলে শুক্রবার (৬ জুন) ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এই হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে শত শত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, এ হামলায় অন্তত তিনজন নিহত ও ৪৯ জন আহত হয়েছেন। রাজধানী কিয়েভ ছাড়াও লুতৎস্ক শহর এবং তেরনোপোলি অঞ্চলেও রাশিয়ার হামলা হয়েছে।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ইউক্রেনের সন্ত্রাসী হামলার’ প্রতিশোধ হিসেবে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। তারা দাবি করেছে, ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনাগুলোকেই তারা লক্ষ্যবস্তু করেছে। এই অভিযানে আকাশ, স্থল ও সমুদ্রপথ থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্র এবং আক্রমণাত্মক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এর আগে গত সপ্তাহে ইউক্রেন রাশিয়ার অন্তত চারটি বিমানঘাঁটিতে আক্রমণ চালিয়ে ৪০টির বেশি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল। এরপর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে হামলার পাল্টা প্রতিশোধ নেওয়ার কথা জানান। সেই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে ভয়াবহ এই হামলা চালায় রাশিয়া।
প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, এদিন রাশিয়া অন্তত ৪০০ ড্রোন এবং ৪০টি মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।
রুশ হামলায় কিয়েভের একটি আবাসিক ভবন ও রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে শহরের ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। হামলার সময় হাজার হাজার কিয়েভবাসী নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেন এবং ভীতিকর কয়েক ঘণ্টা কাটান। আক্রমণের সময় কিয়েভে মেশিনগানের তীব্র শব্দ শোনা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, রাশিয়ার ড্রোন প্রতিহত করতেই এসব গুলি ছোড়া হয়েছে।

For all latest news, follow The Financial Express Google News channel.