বাঙালিদের ‘মাছে ভাতে বাঙালি’ বলা হলেও পাতের শেষে একটি মিষ্টি না হলে যেন বাঙালিদের মন পরিপূর্ণ হয় না। ভোজনরসিক বাঙালি প্রথম থেকেই তাই আবিষ্কার করেছে নানান ধরনের মিষ্টি। বাংলার গ্রাম-গঞ্জের আনাচে-কানাচে এখনও লুকিয়ে আছে অনেক ধরনের মিষ্টি। রসগোল্লা, চমচম, রসমালাই, বালিশমিষ্টি, কালোজাম এগু
হাতির দাঁত, ঘরের দেয়ালে হাতির চিত্র অথবা মাটি বা পিতলের তৈরি নানান আকৃতির হাতির মূর্তি। ভেবে দেখেছেন সব কিছুতেই কেন হাতি? শৈশব থেকে যৌবন কিংবা বৃদ্ধ বয়সের শখ বা পছন্দের তালিকায় হাতি কেন শীর্ষে? গ্রাম বাংলার নানা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে এমনকি প্রাচীনকালের নানা নিদর্শনে আমরা নানা ধরনের পশু-পাখির ক
শৈশবের কথা মনে পড়লেই প্রথমে কী মাথায় আসে? কেমন ভাবে কেটেছে শৈশবের দিনগুলো? স্মৃতির ভান্ডারে শৈশবের সাথে কত কিছুই অতিযত্নে তোলা থাকে। যেমন, শৈশবের খেলাধুলা, মা-নানি-দাদির কাছ থেকে রাতের বেলা গল্প শোনা ইত্যাদি। তবে এগুলো ছাড়াও আরেকটি বিষয় আমাদের শৈশবের সাথে ওতপ্রতোভাবে জড়িত সেটি হচ্ছে কার্টুন।
জীবনযুদ্ধে সফল হওয়ার দৌড়ে অনেক সময়ই মানুষ হয়ে পড়ে বিষাদগ্রস্ত। বাইরের দুনিয়া হয়ে পড়ে তার জন্য অনাগ্রহের জায়গা। পারিবারিক, সামাজিক, আর্থিক, কর্মক্ষেত্রে প্রতিকূল পরিবেশ, এমনকি পড়ালেখা এসবকিছু নিয়ে মানুষ অনেক সময় চরম হতাশার সম্মুখীন হয়। এসব কিছু ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক দুই ক্ষেত্রকেই প্রভাবিত করে।
কালে কালে চিত্রকলার নতুন নতুন নানান ক্ষেত্র উন্মোচিত হয়েছে। বালুচিত্র বা স্যান্ড পেইন্টিং বর্তমান সময়ের বহুল আলোচিত একটি চিত্রকর্ম। বালুকে কাজে লাগিয়ে যে চিত্রকর্ম তৈরি করা হয় তাই মূলত স্যান্ড পেইন্টিংস বা স্যান্ড আর্ট। সমুদ্রসৈকতে বালুতে তৈরি করা নানান ভাস্কর্য, চিত্র, ফুল, মানুষের মাথা এসব
ইন্টারনেট জুড়ে কিছুদিন ধরেই একটি শিশুর দুই দাঁত বের করা নিষ্পাপ হাসির ছবি ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেকেরই হয়তো নজর কেড়েছে ছবিটি। কে এই শিশু কেনই বা এতো সাড়া ফেলেছে নেট দুনিয়ায়। শিশুটি দক্ষিণ ভারতে জন্ম নেয়া দুই বছর বয়সী আদাভি, যে এশিয়া বুক অব রেকর্ডসে জায়গা করে নিয়েছে পৃথিবীর প্রথম কার্বন নিরপেক্ষ শিশু হিসে
পান শব্দটি শুনলেই কী মাথায় আসে? মুখভর্তি করে পান সুপারি নিয়ে বুড়ো দাদুর খোশগল্প কিংবা বাংলা ছায়াছবির মুখভর্তি পান খেয়ে ঠোঁট লাল করা সেই পাঞ্জাবি পরা শুক্কুর আলী নামের লম্বা দাড়িওয়ালা ঘটক সাহেবের কথা। গ্রাম কিংবা শহরে পান বরাবরই শৌখিনতার পরিচয়। তবে বর্তমান প্রজন্মের অনেকের কাছে পান বিষয়টা কিছুটা অ
কিশোরগঞ্জ গিয়েছেন আর কিশোরগঞ্জের জেলখানার মোড়ের ভাই ভাই হোটেলের চালের রুটি গরুর মাংস ভুনা খাননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। বিশেষ করে, গত কয়েক বছর ধরে রাত হলেই ভাই ভাই হোটেলে আর পা ফেলার জায়গা পাওয়া যায় না। ঢাকা-ময়মনসিংহ হাই-ওয়ের পাশে অবস্থিত এই হোটেল শীতের রাতে খাবারের সন্ধানে বের হলেই