Loading...
The Financial Express

অবৈধ সংযোগ: কর্ণফুলী গ্যাসের জিএমসহ গ্রেপ্তার ২

| Updated: June 11, 2021 16:15:50


কেজিডিসিএলের মহাব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিয়ারিং ও সার্ভিসেস) মো. সরোয়ার হোসেন এবং সাবেক ব্যবস্থাপক মুজিবুর রহমান। কেজিডিসিএলের মহাব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিয়ারিং ও সার্ভিসেস) মো. সরোয়ার হোসেন এবং সাবেক ব্যবস্থাপক মুজিবুর রহমান।

চট্টগ্রামে জালিয়াতি করে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়া এবং স্থানান্তরের অভিযোগে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (কেজিডিসিএল) বর্তমান ও সাবেক দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুদক।

বৃহস্পতিবার নগরীর আগ্রাবাদ এলাকা থেকে মহাব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিয়ারিং ও সার্ভিসেস) মো. সরোয়ার হোসেন ও সাবেক ব্যবস্থাপক মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।

দুদকের আইনজীবী কাজী সানোয়ার হোসেন লাভলু বলেন, “তাদের দুজনকে আজ চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হলে হাকিম আশফাকুর রহমান কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।”

দুদক কর্মকর্তারা জানান, অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ স্থানান্তর ও নতুন সংযোগ দেওয়ার একটি অভিযোগের সত্যতা পেয়ে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন নিয়ে বুধবার একটি মামলা করেন উপ-সহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিন।

গ্রেপ্তার দুজন ছাড়াও কেজিডিসিএল এর সাবেক মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, টেকনিশিয়ান দিদারুল আলম এবং সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির ছেলে মুজিবুর রহমানকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, হালিশহরে এমএ সালাম নামে এক ব্যক্তির নামে বরাদ্দ ১৮টি দ্বৈত চুলার সংযোগ থেকে ১২টি চুলা চান্দগাঁও সানোয়ারা আবাসিক এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে মুজিবুর রহমানের সাথেভুয়া চুক্তিনামা’ করে। অথচ এক গ্রাহকের নামে বরাদ্দ সংযোগ অন্য গ্রাহককে দেওয়ার বিধান নেই।

২০১৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাস সংযোগ দেওয়া বন্ধ থাকলেও সানোয়ারা আবাসিক এলাকায় মুজিবুর রহমানের নামে আরও ১০টি সংযোগ দেওয়া হয়।

২০১৬ সালের ২ মার্চ থেকে পরের বছরের ২ অগাস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এসব সংযোগ দেওয়া হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে নুরুল ইসলাম বিএসসির ছেলে মুজিবুর রহমানকে ফোন করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

Share if you like