Loading...
The Financial Express

আরও এক সপ্তাহ ‘কঠোর লকডাউনের’ সুপারিশ জাতীয় কমিটির

| Updated: April 19, 2021 21:46:53


ছবিঃ সংগৃহীত ছবিঃ সংগৃহীত

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে আরও এক সপ্তাহের জন্য ‘কঠোর লকডাউনেরসুপারিশ করেছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

ওই এক সপ্তাহের লকডাউন শেষ হওয়ার আগে সংক্রমণের হার বিবেচনা করে আবার সিদ্ধান্ত নেওয়ারও পরামর্শ কমিটির।

রোববার রাতে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৩১তম সভায় লকডাউন বাড়ানোর প্রস্তাব গৃহীত হয়। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

ধীরে ধীরে লকডাউন শেষ করার পূর্ব পরিকল্পনা তৈরির রাখার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।

সোমবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এ বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে থেকে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ছে। মার্চের শুরু থেকে সংক্রমণ তীব্র হয়েছে।

সংক্রমণ ঠেকাতে ৫ এপ্রিল থেকে প্রথম দফায় সাত দিনের ‘লকডাউনশুরু হয়। তবে তার ধারাবাহিকতা চলে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত।

এরপর ১৪ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় দফয় কঠোর লকডাউন দেয় সরকার, যা চলবে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত।

রোববার রাতের ভার্চুয়াল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা।

সারাদেশে কোভিড-১৯ এর উচ্চ সংক্রমণ ও ক্রমবর্ধমান মৃত্যুতে উদ্বেগ জানিয়েছে কমিটি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি কমপক্ষে দুই সপ্তাহের জন্য পূর্ণ লকডাউন সুপারিশ করেছিল। সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের লক ডাউন ঘোষণা করায় কমিটি সন্তোষ প্রকাশ করে।

সংবাদ বিজ্ঞপিতে বলা হয়, “বৈজ্ঞানিকভাবে দুই সপ্তাহের কম লকডাউনে কার্যকর ফলাফল আশা করা যায় না।

দেশের অর্থনীতি সচল রাখার স্বার্থে শিল্প-কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়টি কমিটি উপলব্ধি করে। তবে, বেসরকারী দপ্তর, ব্যাংক খোলা রাখা, ক্রমবর্ধমানভাবে ব্যক্তিগত গাড়ী চলাচল, ইফতার বাজারে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ভিড় লকডাউনের সাফল্যকে অনিশ্চিত করে।

লকডাউনের সময় স্বাস্থ্যসেবা, ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য জরুরী সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। খোলা রাখা যাবে এমন জরুরি সেবার তালিকা প্রকাশ করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে।

অন্যথায় বিরূপ পরিস্থিতির আশংকা রয়েছে। চলমান লকডাউনে চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের চলাচলে বাধা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটনা ঘটেছে।

কাঁচা বাজার আবারও উন্মুক্ত স্থানে বসানোর প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় কমিটি।

গত কয়েকদিন ধরে দৈনিক আক্রান্ত এবং মৃত্যু রেকর্ড হচ্ছে। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ৩৮৫ জনের।

এর মধ্যে ১ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেড় মাসের কিছু বেশি সময়েই মারা গেছেন ১,৯৭৭ জন। গত তিনদিন ধরে দৈনিক ১০০ জনের বেশি মানুষ মারা যাচ্ছেন।

রোববার করোনাভাইরাসে দেশে সবচেয়ে বেশি ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত এটাই একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সাত লাখ ১৮ হাজার ৯৫০ জন। এর মধ্যে ১ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে এক লাখ ৭২ হাজার ৭৩৪ জন।

৪ এপ্রিল দৈনিক সর্বোচ্চ সাত হাজার ৬২৬ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে, যা এখন পর্যন্ত রেকর্ড।

Share if you like

Filter By Topic

-->