Loading...
The Financial Express

সাজা তো আপনার হওয়া উচিত, রিকশা গুঁড়িয়ে দেওয়া কিশোর গাড়িচালকের বাবাকে বিচারক

| Updated: November 23, 2021 21:12:16


--বেইলি রোডে রিকশা গুঁড়িয়ে দেওয়া কিশোর গাড়িচালকের বাবা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তারজেল হোসেন। ছবি ফেইসবুক থেকে নেওয়া/বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম --বেইলি রোডে রিকশা গুঁড়িয়ে দেওয়া কিশোর গাড়িচালকের বাবা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তারজেল হোসেন। ছবি ফেইসবুক থেকে নেওয়া/বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

রাজধানীর বেইলি রোডে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে রিকশা গুঁড়িয়ে দিয়ে পাঁচ মাসের শিশুসহ তিন আরোহীকে আহত করার ঘটনায় গ্রেপ্তার কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর ১৫ বছর বয়সী এই ছেলেকে ঢাকার আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ।

তার পক্ষে তার বাবা তারজেল হোসেন জামিন আবেদন করেন বলে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হাসিবুজ্জামান জানান।

দুটি আবেদনই নাকচ করে কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার ৬ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও শিশু আদালতের বিচারক আল-মামুন। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

শুনানির সময় বিচারক ওই কিশোরকে দেখিয়ে বলেন, “ওর তো গাড়ি চালানোর বয়স হয়নি। লাইসেন্স নাই। তার হাতে গাড়ি দিল কেন? ওর বাবা এত দায়িত্বহীন কেন?”

গাড়ি কার নামে নিবন্ধিত জানতে চাইলে ওই কিশোর বলে, তার বাবার নামে গাড়ি।

তখন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জেসমিন আক্তার বিচারককে বলেন, “সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি, ৬ মাস আগে কেনা হয়েছে। তার বাবা সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী।”


বিচারক তারজেলের কাছে তার ছেলের গাড়ি চালানোর লাইসেন্স আছে কি না জানতে চাইলে তিনি না সূচক জবাব দিয়ে বলেন, তার ছেলে যে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিল, তা তিনি জানতেন না।

তখন বিচারক তাকে বলেন, “সাজা তো আসলে আপনার হওয়া উচিত।”

কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ওই কিশোরকে বিচারক বলেন, “এখনো অনেক সময় পড়ে আছে। বড় হও, অনেক গাড়ি চালাতে পারবে।
“তুমি তো একজনের ছেলে। যে শিশুটাকে আহত করেছো সেও তো কারো না কারো ছেলে। কত সময়, কত দিন পড়ে আছে, জীবনটা কী এতো ছোট!”

শিশু বিবেচনায় রিমান্ড আবেদন নাকচ করার কথা জানালেও কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে দায়িত্বশীল কর্মকর্তার উপস্থিতিতে একদিন জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন বিচারক।


হাতিরঝিল থানায় করা মামলার নথি অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মগবাজার এলাকার বাসিন্দা শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা ফখরুল হাসান তার পাঁচ মাসের শিশুপুত্রকে নিয়ে বের হন। তিনি একটি রিকশা নিয়ে মগবাজার থেকে বেইলি রোড হয়ে রমনা পার্কের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বেইলি রোডে একটি বেপরোয়া গতির প্রাইভেটকার তাদের বহনকারী রিকশাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়।

এতে তাদের দুজনের সঙ্গে রিকশাচালক আনোয়ার ইসলামও গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল পেয়ে তিন জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ।

পরদিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওই কিশোর মাকে নিয়ে বাসে করে মেহেরপুরের গাংনীতে দাদার বাড়ি চলে যায়। সেখান থেকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় খালার বাড়িতে গিয়ে আত্মগোপন করে।

পরে সংশ্লিষ্ট ওই দুই থানা পুলিশের সহায়তা নিয়ে কিশোরকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগ পুলিশ।

Share if you like

Filter By Topic

More News

২,৫০০ কোটি টাকায় ‘ক্লাউড-কম্পিউটিং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম’ স্থাপনের উদ্যোগ

তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে মঙ্গলবারের মধ্যে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ এক সময় বিএনপি’র ছাত্রদল করতেন: মির্জা ফখরুল

মঙ্গলবার বৃষ্টি কমে আসার আভাস মিলেছে

নিউ জিল্যান্ড সিরিজ থেকে ছুটি পেয়েছেন সাকিব আল হাসান

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২৭৭ করোনা রোগী, মৃত্যু চারজনের

সমাপনী পরীক্ষা না থাকলেও পঞ্চম ও অষ্টমে বৃত্তি, সনদ থাকবে: মন্ত্রী

উসকানির অভিযোগে সু চির চার বছরের কারাদণ্ড

ইউরোপের সংস্কৃতি বিনির্মাণের শিকড়ে রয়েছে উসমানিয়া সাম্রাজ্য

বিদায়ের আগে বৃষ্টি ঝরিয়ে ভুগিয়ে যাচ্ছে জোয়াদ