Loading...
The Financial Express

‘কুইক রেন্টাল’ বিদ্যুৎকেন্দ্র আরও ৫ বছর রাখতে সংসদে বিল উত্থাপন

| Updated: September 15, 2021 17:20:26


‘কুইক রেন্টাল’ বিদ্যুৎকেন্দ্র আরও ৫ বছর রাখতে সংসদে বিল উত্থাপন

জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটাতে এক দশক আগে দেশে ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানোর বিশেষ আইনের মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়াতে সংসদে বিল উঠেছে।

বুধবার বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ‘বিদ্যুৎ ও জ্বলানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) বিল-২০২১’ সংসদে উত্থাপন করেন।

২০০৯ সালের আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ সঙ্কট দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি ভাড়া ও দ্রুত ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমোদন দেওয়া হয়।

এসব ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বৈধতা দিতে ২০১০ সালে প্রণয়ন করা হয় ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন’। শুরুতে দুই বছরের জন্য এ আইন করা হলেও পরে কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হয়। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

২০১০ সালে প্রণীত আইনটির মেয়াদ সর্বশেষ তিন বছর বাড়িয়ে ২০২১ সাল পর্যন্ত করা হয়েছিল। সেই মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর সংসদের সম্মতি নেওয়ার জন্য বিল তোলা হল।

তাৎক্ষণিক পরিকল্পনায় তিন বছর, পাঁচ বছর ও ১৬ বছর মেয়াদী এসব রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত বেড়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল হয়েছে বলে সরকারের ভাষ্য।

তবে এসব কেন্দ্র থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনতে সরকারকে অনেক টাকা ভর্তুকি দিতে হয়, যা আসে করদাতাদের পকেট থেকে। ফলে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে।

এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ২০২৪ সালের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে গত মার্চে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থাপিত মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল।

বিদ্যমান আইনে ক্রয় প্রক্রিয়ার প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে বিশেষ বিধানে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশেষ কমিটির মাধ্যমে আলোচনা করে চুক্তি সম্পাদনের সুযোগ রয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইনের মেয়াদ বাড়ানোর পর ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ‘স্ট্যান্ডবাই’ হিসেবে রাখা হবে। তবে মেয়াদ বাড়ার পর এই বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে কীভাবে বিদ্যুৎ কেনা হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ অবশ্য বলেছেন, এই কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ কিনলে টাকা দেওয়া হবে, না কিনলে দেওয়া হবে না, এভাবেই চলবে।

বিলটি সংশোধনের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সংসদে বলেন, “…নবায়নযোগ্য  জ্বালানি নীতিমালা-২০০৮ অনুযায়ী নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস হতে দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ১০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার লক্ষ্যে এ খাতে দ্রুত অধিক সংখ্যক প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন।

“টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখা অপরিহার্য।”

Share if you like

Filter By Topic

More News

ই-কমার্সে ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই পদক্ষেপ নিতে হবে: রাষ্ট্রপতি

দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে যাচ্ছে আরও আড়াই হাজার টন ইলিশ

গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৬৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির মামলা

কোভিড-১৯ টিকার উৎপাদন বাড়লেও অসাম্য দূর হচ্ছে না

ধনী দেশগুলোতে মজুত থাকা ২৪ কোটি টিকা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে

‘১৮ বছর বয়স পর্যন্ত সবাইকে শিশু হিসেবে গণ্য করায় কিশোর অপরাধ দমন বিঘ্নিত হচ্ছে’

মুনিয়া হত্যা মামলায় আগাম জামিন চান বসুন্ধরার এমডি আনভীর

করোনায় মে মাসের পর সর্বনিম্ন শনাক্ত ও মৃত্যু

ইভ্যালির রাসেলকে আর রিমান্ডে পেল না পুলিশ

আফগানিস্তান সঙ্কটের জন্য রোহিঙ্গা সমস্যা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায় নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী