'টাকা আত্মসাতের' মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা দোষী কি না তা জানা যাবে ৫ অক্টোবর

Published :
Updated :

ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) ঋণের টাকা আত্মসাতের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ ১১ আসামি দোষী কি না, তা জানা যাবে ৫ অক্টোবর।
ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম সেদিন আলোচিত এ মমালার রায় ঘোষণা করবেন। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।
মঙ্গলবার রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে বিচারক রায়ের জন্য ৫ অক্টোবর দিন নির্ধারণ করে দেন।
আসামিদের পক্ষে যুকিতর্ক শুনানি করেন আইনজীবী বোরহান উদ্দিন, শাহীনুর ইসলাম অনিসহ কয়েকজন। তারা বিচারের মুখোমুখি হওয়া সাত আসামির খালাস চান।
আর রাষ্ট্রপক্ষে দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম আসামিদের সর্বোচ্চ সাজার আবেদন করেন।
দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের যেসব ধারায় এ মামলার অভিযোগ গঠন করা হয়েছে, তাতে অপরাধ প্রমাণিত হলে আসামিদের সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন শাস্তি হতে পারে।
মৃত্যুদণ্ডের কোনো ধারা না থাকায় এস কে সিনহাসহ পলাতক আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবীকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
এর আগে গত ২৯ অগাস্ট আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন বিচারের মুখোমুখি হওয়া সাত আসামি। তারা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।
এই সাতজন হলেন- ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী), ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি এ কে এম শামীম, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, টাঙ্গাইলের মো. শাহজাহান ও একই এলাকার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা। তাদের মধ্যে বাবুল চিশতী কারাগারে আছেন, বাকিরা জামিনে।
সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা, ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা রনজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায়কে পলাতক দেখিয়ে এ মামলার বিচার চলে।
গতবছর ১৩ অগাস্ট এই ১১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছিলেন ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

For all latest news, follow The Financial Express Google News channel.