Loading...
The Financial Express

জরুরি ভিত্তিতে কেনা হবে সাড়ে পাঁচ লাখ টন চাল

| Updated: March 04, 2021 16:45:36


জরুরি ভিত্তিতে কেনা হবে সাড়ে পাঁচ লাখ টন চাল

আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে ৫ লাখ ৫০ হাজার টন চাল কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বুধবার সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন পায়, খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

সেই সঙ্গে চাল কেনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র দাখিলের সময়সীমা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের তারিখ থেকে ৪২ দিনের পরিবর্তে ১০ দিন করতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয় বৈঠকে।

এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি একই কমিটির বৈঠকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কেনাকাটায় দরপত্রের সময়সীমা কমিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল তখন বলেছিলেন, “আন্তর্জাতিক টেন্ডার করার পরে ৪০ থেকে ৪২ দিন অপেক্ষা করার কথা বলা ছিল। কিন্তু কিছু পণ্য আছে, যেমন- পেঁয়াজ, চাল, তেল- এ জাতীয় জিনিসের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিদিনই বাড়ে-কমে। সেখানে এত লম্বা সময় কোনো টেন্ডার অপেক্ষা করে না।”

আগের আইনে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে দেশীয় বাজার থেকে কিছু কিনলে প্রয়োজনে সময় কমানোর কথা বলা থাকলেও আন্তর্জাতিক কেনাকাটা সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু ছিল না। সেজন্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব আমলে নিয়ে আইএমইডিকে আইন ও বিধি সংশোধনের পরামর্শ দেয় অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা বুঝতে পারলাম আন্তর্জাতিক বাজার অত্যন্ত অস্থির। চাল, তেল, গমসহ এসব জিনিসের দাম উঠানামা করে খুব দ্রুত। সেজন্য কম সময় দরকার এখানে। বেশি সময় দিলে পরে আমরা কমপিটিটিভ প্রাইস পাব না। আন্তর্জাতিক বিডাররা বিড করবে না। সেজন্য আমরা আইনটা সংশোধন করছি।”

আইন সংশোধনের পর নতুন করে খাদ্য আমদানি সম্পর্কে তিনি বলেন, এ বছর খাদ্যশস্য উৎপাদন কম হয়েছে। গতবার বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি। বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে দেশ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ থাকে।

খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক দরপত্রে সময় কমানোর উদ্যোগ 

 “প্রয়োজনের বেশি যেন আমদানি করা না হয় সে কথা বলে দেওয়া হয়েছে। বেশি আমদানি করলে বাজারের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। সে বিষয়টি খাদ্র মন্ত্রণালয়ে দেখবে। যেটুকু ঘাটতি রয়েছে সেটা আমদানি করার জন্য তাদেরকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে,” বলেন অর্থমন্ত্রী।

বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে ‘বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ নির্মাণ ও পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) অপারেটর নিয়োগের প্রস্তাবও অনুমোদন পায়।

এদিন সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের একটি এবং বিদ্যুৎ বিভাগের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শাহিদা আকতার।

তিনি বলেন, মুন্সীগঞ্জে বিসিক কেমিকেল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক নির্মাণের জন্য ভূমি উন্নয়ন ও পুকুর খনন করে মাটি ভরাটের কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপকে দেওয়া হয়েছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৩ কোটি ৬৩ লাখ ৭ হাজার ৩১৯ টাকা।

এছাড়া ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের শতভাগ বিদ্যুতায়ন প্রকল্পের আওতায় ১৩০ কিলোমিটার ১১ কেভি ও ৩৩ কেভি আন্ডারগ্রাউন্ড তার কেনার একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

৭৫ কোটি ৬৩ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮০ টাকায় তারগুলো কেনা হবে পলি বেবল ইন্ড্রাস্ট্রিজের কাছ থেকে।

Share if you like

Filter By Topic

-->