Bangla
8 months ago

বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচকে বাংলাদেশ ১০৬তম

Published :

Updated :

বাংলাদেশ এখনো বিশ্বের সবচেয়ে কম উদ্ভাবনী দেশগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সে (জিআইআই) দেশটি নিচের স্তরে অবস্থান করছে।

বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা (WIPO) প্রকাশিত গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৫-এ ১৩৯টি অর্থনীতির মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে ১০৬তম স্থানে।

তবে ২০২০ সালের তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা এগিয়েছে। সে সময় দেশের অবস্থান ছিল ১১৬তম। ২০২২ সালে এটি দাঁড়ায় ১০২তম স্থানে।

উদ্ভাবনের পারফরম্যান্স মাপা হয় মানবসম্পদ, গবেষণা, অবকাঠামো, বাজারের আধুনিকায়ন ও জ্ঞানভিত্তিক উৎপাদনসহ বিভিন্ন সূচকের ওপর ভিত্তি করে।

তবে প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দ্রুত উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “দ্রুত উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে আফ্রিকার বুরকিনা ফাসো (৪.৮%), কেনিয়া (৩.৩%) ও রুয়ান্ডা (৩.৩%), আর এশিয়ার বাংলাদেশ (৪.৫%) ও ভারত (৪.৩%) উল্লেখযোগ্য।”

এতে আরও বলা হয়, “এমন দ্রুত উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এসব দেশের অনেকের জনসংখ্যা অনেক বেশি। তাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতি বৈশ্বিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

বাংলাদেশের সামগ্রিক উদ্ভাবন স্কোর দাঁড়িয়েছে ২১.০, যা দেশটিকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের গ্রুপে স্থান দিয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান রয়েছে ৯৯তম এবং নেপাল ১০৭তম স্থানে।

জিআইআই সূচক তৈরি হয় প্রায় ৮০টি নির্দেশকের ভিত্তিতে, যা ইনোভেশনের ইনপুট ও আউটপুটে ভাগ করা হয়। এর মাধ্যমে উদ্ভাবনের বহুমাত্রিক দিকগুলোকে প্রতিফলিত করার চেষ্টা করা হয়।

প্রতিবেদন অনুসারে, অবকাঠামো (৯০তম), সৃজনশীল উৎপাদন (৮৬তম) এবং বাজারের আধুনিকায়নে (৯৬তম) বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে আছে। তবে মানবসম্পদ ও গবেষণায় (১৩৩তম) এবং ব্যবসায়িক আধুনিকায়নে (১২৯তম) অবস্থান অনেক নিচে।

শীর্ষ ১০ উদ্ভাবনী দেশের মধ্যে রয়েছে সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক ও চীন।

তালিকার সর্বনিম্ন পাঁচ দেশ হলো নাইজার, অ্যাঙ্গোলা, কঙ্গো, ভেনেজুয়েলা ও মালি।

Share this news