
Published :
Updated :

রাজধানীর ধানমন্ডিতে ছাত্র আন্দোলনের সময় হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত নোয়াখালীর তরুণী নাছিমা আক্তার (২৪) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এক বছর পর শেখ হাসিনা সহ চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে।
আজ রোববার (৬ জুলাই) বিকেলে ধানমন্ডি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ক্যশৈন্যু মারমা এই মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন — আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং ঢাকা-১০ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ।
নিহত নাছিমার ভাই হেলাল উদ্দিন সোলায়মান মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আরও ১০০ থেকে ১৫০ জন অজ্ঞাতনামাকেও আসামি করা হয়েছে।
নাছিমা আক্তার নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানার মাইজদী বাজার এলাকার মৃত ইউছুপ মিয়ার মেয়ে। তিনি কয়েকদিনের জন্য ঢাকায় বেড়াতে এসেছিলেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছরের ১৯ জুলাই বিকেলে ধানমন্ডি ১ নম্বর রোডের একটি ১০ তলা ভবনের ছাদে হেলাল উদ্দিনের ছেলে আইমান উদ্দিন (২৩) এবং তার ছোট বোন নাছিমা আক্তার অবস্থান করছিলেন। সে সময় আকাশে হেলিকপ্টার ও ড্রোন ওড়ার দৃশ্য দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ছোঁড়া গুলি আইমানের বুকে লাগে এবং সেটি ভেদ করে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নাছিমার মুখে ঢুকে গলায় আটকে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিরাপত্তাকর্মীদের সহযোগিতায় দুজনকে দ্রুত পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসক তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করেন। পরদিন রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নাছিমা আক্তার।
নাছিমার ভাই হেলাল উদ্দিন সোলায়মান বলেন, "আমি স্পেনে থাকি। তখন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। পরে জানতে পারি, নাছিমাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল। এক রাত মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে সে শহীদ হয়।"
তিনি আরও জানান, "আমি প্রবাসে থাকায় মামলা করতে দেরি হয়েছে।"

For all latest news, follow The Financial Express Google News channel.