Bangla
5 months ago

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ

Published :

Updated :

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন পুনরায় শুরু হওয়ার তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দাবি করেছে যে, এই সহিংসতা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির অবজ্ঞা। 

এক বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে শিশু ও নারীসহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের ব্যাপক প্রাণহানির কারণ হয়েছে এবং ইতোমধ্যে বিপর্যস্ত মানবিক পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটিয়েছে। সহিংসতার এই নতুন চক্র আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং প্রতিষ্ঠিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রতি গুরুতর অবজ্ঞার প্রকাশ। 

বাংলাদেশ সরকার একযোগভাবে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর অব্যাহত নির্বিচার বিমান হামলার নিন্দা জানায়, যা ঘনবসতিপূর্ণ বেসামরিক এলাকা ও নিরীহ ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর আরও ব্যাপক দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ সরকার ইসরায়েলকে অবিলম্বে সমস্ত সামরিক অভিযান বন্ধ, সর্বাধিক সংযম প্রদর্শন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে তার বাধ্যবাধকতাগুলি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। 

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে, যেন তারা তৎক্ষণাত এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে, যাতে সংঘর্ষ বন্ধ হয়, বেসামরিক নাগরিকদের জীবন রক্ষা করা যায় এবং গাজার অবরুদ্ধ জনগণের কাছে মানবিক সহায়তা নির্বিঘ্নে পৌঁছানো সম্ভব হয়।

ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রতি বাংলাদেশের নীতিগত অবস্থান অনুসারে, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে, যার মধ্যে রয়েছে তাদের আত্মনির্ভরতার অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমান্ত বরাবর একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, যার রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম। 

বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্যে একটি সমগ্র, ন্যায্য এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সংলাপ পুনরায় শুরু করার গুরুত্বও তুলে ধরেছে, যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে একটি মূল স্তম্ভ হিসেবে কাজ করবে। বাংলাদেশ সব পক্ষকে কূটনৈতিক পথ ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই অযৌক্তিক সহিংসতা ও কষ্টের অবসান ঘটাতে অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানাচ্ছে।

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলে ফিলিস্তিনি প্রশ্নের একটি টেকসই সমাধান অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা আন্তর্জাতিক আইনের নীতিমালা, জাতিসংঘের প্রস্তাবনা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের শান্তি, মর্যাদা ও ন্যায্যতার আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

Share this news