
Published :
Updated :

ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজায় খাদ্যের জন্য হাহাকার করছে ফিলিস্তিনিরা। দীর্ঘ অনাহারে এখন পর্যন্ত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু ও বয়স্ক।
বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি বাহিনীর তীব্র হামলায় একদিনেই প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৮৫ জন।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, ওইদিন ৯০টি ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে। তবে ২১ লাখ মানুষের জন্য তা খুবই অপ্রতুল। রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, জ্বালানির অভাবে অ্যাম্বুলেন্সের চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।
প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও গাজার বিভিন্ন এলাকা এবং শরণার্থী ক্যাম্পে চালানো হয় প্রচণ্ড হামলা। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েছে বহু মানুষ। খাদ্য, ওষুধ ও নিরাপত্তার অভাবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও প্রবীণরা।
গাজার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গত কয়েকদিনে শুধু অনাহারেই প্রাণ গেছে ২৯ জনের। তিনি সতর্ক করে বলেন, অবিলম্বে পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা না পৌঁছালে হাজারো মানুষের মৃত্যু হতে পারে।
এছাড়া, দক্ষিণ লেবাননের অন্তত পাঁচটি এলাকায়ও ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, এই হামলাগুলো ছিল সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ। একটি শহরে বহুতল ভবন ধসে পড়েছে, আগুন আর ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে আশপাশের এলাকা। বৈরুত একে যুদ্ধবিরতির চরম লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে।
এদিকে, ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের দিকে ছোড়া হয় একটি ক্ষেপণাস্ত্র। ভোরে সাইরেন বাজলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। ইসরায়েল জানায়, তারা সেই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। যদিও এখনো কেউ এই হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে তেল আবিব এটিকে হাউথি বিদ্রোহীদের হামলা বলে ধারণা করছে।

For all latest news, follow The Financial Express Google News channel.