
Published :
Updated :

বাংলাদেশ থেকে ভারতে কোরবানির পশুর চামড়া পাচার রোধে দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ঈদের দিন থেকে শুরু করে ঈদের পরবর্তী সাত দিন পর্যন্ত এই কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জয়পুরহাট-২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুল দৌলা।
জানা গেছে, হাকিমপুর উপজেলার পশ্চিম অংশ, বিরামপুর উপজেলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে ১১টি বিজিবি ক্যাম্পের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে। এ সীমান্ত এলাকার কোথাও কোথাও কাঁটাতারের বেড়া থাকলেও কিছু স্থানে শুধু নালা, খাল বা পিলারের মাধ্যমেই সীমারেখা চিহ্নিত। ফলে দু’দেশের বেশ কিছু গ্রামবাসী আত্মীয়তার সুবাদে যাতায়াত করেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে যাতে কোনোভাবে চামড়া পাচার না হয়, সে জন্য কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
হাকিমপুর ও বিরামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, এবার ঈদুল আজহায় এ দুই উপজেলায় প্রায় ৫৫ হাজার গরু-ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুত। এসব অঞ্চলে ৪০টির মতো স্থানে চামড়া ক্রয়-বিক্রয় হবে।
এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাঠ পর্যায়ে গরুর চামড়া প্রতি বর্গফুট ৫৮-৬৩ টাকা, ছাগলের চামড়া ২২-২৭ টাকা এবং মাঝারি গরুর চামড়া ১৩৫০ টাকা দরে কেনা-বেচা হবে।
বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুল দৌলা বলেন, চামড়া দেশের রপ্তানিযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্য। এই খাতের স্বার্থরক্ষায় সীমান্ত দিয়ে অবৈধ চামড়া পাচার রোধে বিজিবি কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। শুধু ঈদের সময় নয়, সীমান্তবর্তী এলাকায় সব ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবি সবসময় তৎপর রয়েছে।

For all latest news, follow The Financial Express Google News channel.