অনেকে গ্যাস বিল দিচ্ছে, কিন্তু সেটা তিতাসের অ্যাকাউন্টে যাচ্ছে না: প্রতিমন্ত্রী

Published :
Updated :

অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ফলে গত দুই বছরে গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ কমলেও প্রতিষ্ঠানটিতে নতুন এক সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির কার্যালয়ে পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, গত দুই বছরে তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ ২২ থেকে ৭ শতাংশে নেমেছে। তবে নতুন সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে ‘ভূতুড়ে গ্রাহক’, যে কারণে গ্রাহক টাকা দিলেও সব তিতাসের হিসাবে জমা হচ্ছে না। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
তিনি বলেন, “অনেকে গ্যাস বিল দিচ্ছে, কিন্তু সেটা তিতাসের অ্যাকাউন্টে যাচ্ছে না। এই ধরনের অভিযোগ আমাদের কাছে আসে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই বিষয়গুলো একটা ভালো অবস্থায় দেখতে পাব বলে আশা করছি।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিতরণ সংস্থাগুলোকে তাদের সব আবাসিক বাণিজ্যিক ও শিল্প গ্রাহককে পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।
আরও বেশি স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে সিস্টেম লস, অপচয় বা চুরির পরিমাণ শূন্য নামিয়ে আনার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
তিতাসের জন্য একটা থার্ড পার্টি ফাইন্যান্সিয়াল অডিটর কনসালটেন্ট নিয়োগ করার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। বলেন, “ওই অডিটের মাধ্যমে কোম্পানির বিলিং অ্যামাউন্ট, গ্রাহকের কাছ থেকে পাওয়া বিলের পরিমাণ মিলিয়ে দেখা হবে।
“তিতাস এখন গ্যাসের যে প্রাইসিং করছে, কস্টিং এস্টিমেশন করছে সেখানে কোনো ফাঁকফোকর আছে কি না সেটা যাচাই বাছাই করব।”
সিএনজি ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম থাকার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “তাদের ওপর প্রতি বছর একটা অডিট হবে। কী পরিমাণ গ্যাসের বরাদ্দ তারা নিয়েছে, সেই পরিমাণ গ্যাস তারা বিক্রি করছে কি না, তাদের সিস্টেম, তাদের মিটারগুলো ক্যালিব্রেশন হবে। লাইনে কোনো সমস্যা আছে কি না দেখা হবে।”

For all latest news, follow The Financial Express Google News channel.